স্যারের গানে ক্লাসে হুলুস্থুল পড়ে যেতো

সংবাদ শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
ইয়াকুব শাহরিয়ার::
কী দারুণ গায়কীতে স্যার গাইতেন “তোমরা ভুলে গেছো মল্লিকা দি’র নাম” কিংবা “আমার কাঙ্কের কলসি, জলে গিয়াছে ভাসি”। এসব গান আমাদের মনে আনন্দ দিতো। আমরা হুলুস্থুল করে উঠতাম স্যার যখন গানে টান দিতেন। একযুগ আগেও একটি গান গাওয়ার জন্য স্যারের প্রতি কী আঁকুতি ছিলো আমাদের সকলের। সে আঁকুতি আজও।

নাইন থেকে টেনে উঠবার সময় মানবিক বিভাগ থেকে প্রথম স্থান হারানোর পর যখন স্যারের সামনে গেলাম স্যার বললেন, ‘বড় হতে হলে মাঝে মাঝে হোঁচট খেতে হয়।’ তারপর থেকে এখনও বড় হওয়ার জন্য হেঁটে চলেছি। হোঁচট খাচ্ছি, দাঁড়াচ্ছি; আবার হেঁটে চলছি। এখনো স্যারের সামনেই আছি। এখনো স্যারের পরামর্শে পথ চলি। ক্লাস নাইনে যখন পড়তাম তখন স্যারের তত্ত্বাবধানে ছিলাম। প্রচণ্ড ভালোবাসতেন আমাকে; আমাদের। স্পষ্ট বয়ানে অসংখ্য ফ্রুটফুল ক্লাস গ্রহণ করেছি স্যারের কাছ থেকে। ১১ বছরের ব্যবধানে আজকে আমিও শিক্ষক। আজও স্যারের সাথে পথ চলি একই আঙিনায়। আজ এবং আজীবন স্যারের ছাত্র আমি।

বলছিলাম পাগলা সরকারি মডেল হাইস্কুল এন্ড কলেজের সহকারি শিক্ষক সাইফুল ইসলাম স্যারের কথা।
আজ আমাদের সবার প্রিয় সাইফুল স্যারের  জন্মদিন। পরামর্শ, শাসনসহ পথচলার জন্য উপদেশ সব কিছুই পাই স্যারের কাছ থেকে। জন্মদিনে প্রিয় স্যারের জন্য অনেক শুভ কামনা। দোয়া করি স্যারকে যেনো আল্লাহ নেক হায়াৎ দান করেন। স্যার যেনো আরও বহু বছর আমাদের মাঝে সুস্থ্যভাবে বেঁচে থাকেন। তৈরি করেন একজন ইয়াকুব শাহরিয়ারের মতো আরও অসংখ্য ছাত্র। ভালো থাকবেন স্যার। সুস্থ্য থাকবেন সব সময়।
লেখক: স্যারের ছাত্র।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *